নামাজ ত্যাগকারীর বিধান pdf

নামাজ ত্যাগকারীর বিধান

232
নামাজ ত্যাগকারীর বিধান pdf
নামাজ ত্যাগকারীর বিধান

নামাজ ত্যাগকারীর বিধান pdf

এটা জ্ঞানপূর্ণ মাসআলা সমূহের অন্যতম একটি (বিরাট) মাসআলা, যে ব্যাপারে শুরু থেকে আজ পর্যন্ত বিদ্বানগণ মতভেদ করে আসছেন, তাই এই বিষয়ে ইমাম আহম্মদ বিন হাম্বল বলেনঃ নামায ত্যাগকারী কাফের হয়ে যায়, আর এমন কুফরীতে নিমজ্জিত হয়, যা দ্বীন ইসলামের গন্ডি হতে বহিষ্কার করে দেয়। তাকে হত্যা করা হবে যদি সে তওবা করত, নামাজ প্রতিষ্ঠা করে।

প্রথমতঃ পবিত্র কুরআন হতে মহান আল্লাহ সূরা তাওবায় এরশাদ করে, “তবে যদি তারা তওবা করিয়া নামায পড়ে ও যাকাত প্রদান করে, তবে তারা তোমাদের দ্বীনি ভাই।” [আততাওবা-১১]

আরও বই পড়ুন –  সহীহ হাদীস অনুযায়ী নামাজের সময়সূচি

এবং সূরা মরিয়মে এরশাদ করেনঃ “পরন্তু তাদের পর সেই অযোগ্য অবাঞ্চিত লোকেরা তাদের স্থলাভিষিক্ত হল যারা নামোজকে বিনষ্ট করল আর মনের লালসা-বাসনার অনুসরণ করল। অতএব অচিরেই তারা গুশরাহীর পরিনামের সম্মুখীন হবে। অবশ্য যে তওবা করবে, ঈমান আনবে ও নেক আমল অবলম্বন করবে তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং তাদের উপর কোন প্রকার জুলুম করা হবে না। [মারইয়াম ৫০-৬০]”

নামাজ ত্যাগকারীর বিধান pdf

দ্বিতীয় আয়াত যা সূরা মারিইয়াম থেকে উল্লেখিত তা নামাজ ত্যাগকারীর কুফরী এই ভাবে প্রমান করে যে আল্লাহ পাক নামাজ বিনষ্টকারীর ও মনের লালসা বাসনার অনুসরণ কারীদের সম্বন্ধে বলেনঃ

অর্থাৎ “কিন্তু যারা তাওবা করবে এবং ঈমান আনবে” একথা বুঝায় যে তারা নামাজ বিনষ্ট করার সময়কালে ও লালসা-বাসনার অনুসরণ কালে মু’মিন ছিলনা।

প্রথম আয়াত যা সূরা তাওবা থেকে উদ্ধৃত যা নামাজ ত্যাগ কারীর কুফরী এইভাবে প্রকট করে যে মহান আল্লাহ বহুত্ববাদীদের ও আমাদের মাঝে শর্তারোপ করেছেন।

  • যেন তারা শির্ক হতে তাওবা করে।
  • যেন তারা নামাজ প্রতিষ্ঠিত করে।
  • আর যেন যাকাত প্রদান করে।

নামাজ ত্যাগকারীর বিধান pdf

তৎপর তারা যদি শির্ক হতে তওবা করে, কিন্তু নামাজ কায়েম না করে ও যাকাত প্রদান না করে তবে তারা আমাদের ভাই নয়।

আর যদি তারা নামাজ কায়েম করে কিন্তু যাকাত না দেয় তবুও তারা আমাদের ভাই হতে পারে না।

আর দ্বীনি ভ্রাতৃত্ব তখনই পুরোপুরিভাবে লোপ পায় যখন মানুষ দ্বীন থেকে সম্পূর্ণরূপে বহিষ্কৃত হয়। অতএব, ফাসেকীর বা ছোট কুফরীর (কৃতজ্ঞতার) কারণে দ্বীনি ভ্রাতৃত্ব খতম হতে পারে না।

আরও বই পড়ুন – নামাজের ফজিলতে সুসংবাদ

“হত্যার পরিবর্তে হত্যা” -র (কেসাসের) আয়াতে মহান আল্লাহ কি বলেছেন তা কি লক্ষ্য করেছেন?

এরশাদ হচ্ছে, “অবশ্য তার (হত্যাকারীর) ভাইয়ের পক্ষ থেকে যদি তাহাকে কিছুটা মাফ করে দেওয়া হয়, তবে প্রচলিত নিয়মের অনুসরণ করবে এবং সুন্দর ভঅবে তাকে তা প্রদান করবে।”

নামাজ ত্যাগকারীর বিধান pdf

এখানে আল্লাহ ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যাকারীকে হত্যাকৃত ব্যক্তির ভাই বলে আখ্যায়িত করেছেন, অথচ ইচ্ছাকৃত ভাবে হত্যা করা কবিরা গোনাহ সমূহের মধ্যে সব চেয়ে বড় গোনাহ্।

কারণ, মহান আল্লাহ তা’আলা এরশাদ করেছেন, “আর যে ব্যক্তি কোন মু’মিন ব্যক্তিকে জেনে বুঝে হত্যা করবে তার শাস্তি হচ্ছে জাহান্নাম, তাতে সে চিরদিন থাকবে, তার উপর আল্লাহর গযব ও অভিশাপ এবং আল্লাহ তার জন্য কঠিন শাস্তি নির্দিষ্ট করে রেখেছেন।” [আন নিসা-৯৩]

আরও বই পড়ুন – নামাজ পড়ার পদ্ধতি

অতঃপর মুমিনদের দুই দল যারা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত হয়েছে তাদের সম্বন্ধে মহান আল্লাহ যা আলোচনা করেছেন তা কি একটু ভেবে দেখেছেন?

এরশাদ হচ্ছে, “আর যদি ঈমানদার লোকদের মধ্যে হতে দুটি দল পরস্পরে লড়াইয়ে লিপ্ত হয়ে পড়ে তবে তাদের মধ্যে সন্ধি করে দাও।” [হুজুরাত-৯-১০]

নামাজ ত্যাগকারীর বিধান pdf
বইয়ের ধরণঃ সালাত বিষয়ক
প্রকাশ সালঃ 
বইয়ের লেখকঃ মুহাম্মাদ বিন সালেহ আল মুসাইন
অনুবাদঃ 
প্রকাশকঃ 
বইয়ের সাইজঃ 677 KB
নামাজ ত্যাগকারীর বিধান pdf


DOWNLOAD NOW


ভিডিউ টিউটোরিয়াল পেতে আমাদের চ্যনেলটি সাবস্ক্রাইব করুন।

Online Academy BD