তওবা করার নিয়ম – তওবা এর দোয়া

766

""</p

তওবা করার নিয়ম – তওবা এর দোয়া 

আল্লাহ তা’য়ালা বলেন যে গোনাহ করে, কিংবা নিজের অনিষ্ট করে, অত:পর আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে, সে আল্লাহকে ক্ষমাশীল করুণাময় পায়।

আরও বই পড়ুন – আশুরায়ে মুহাররম এ আমাদের করণীয়

তওবা করার নিয়ম – তওবা এর দোয়া – তওবার মাহাত্ম্য – সমস্ত প্রশংসা একমাত্র আল্লাহর জন্য। দরুদ ও সালাম অবতীর্ণ হোক আল্লাহর রাসূল, তাঁর পরিবারবর্গ এবং তাঁর সকল সাহাবীদের উপর।মহান আল্লাহ তাঁর সকল বান্দাকে তওবা করার নির্দেশ প্রদান করেছেন। যেমন তিনি বলেন, “মুমিনগণ, তোমরা আল্লাহর নিকট তওবা কর, যাতে তোমরা সফলকাম হও।” আল্লাহ তার বান্দাকে দু’ভাগে ভাগ করেছেন। যথা: ১। তওবাকারী, ২। নিজের নফসের উপর যুলুমকারী। তাই তিনি বলেন,

“যারা তওবা করে না, তারাই অত্যাচারী”

মানুষের তো সবসময়ই তওবার প্রয়োজন হয়। কারণ, প্রত্যেক আদম সন্তান ত্রুটিকারী। আর সর্বেোত্তম ত্রুটিকারী হলো সেই, যে ত্রুটি করার পর তওবা করে। এ কথা রাসূলে করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি অসাল্লাম বলেছেন। তবে মানুষের দ্বারা যে ভুলটি সংঘটিত হয়, তা হলো এই যে, অনেক মানুষ তাদের  অনেক পাপের ব্যাপারে উদাসীন। তাই তারা রাত দিন আল্লাহর অবাধ্যতা করতে থাকে।

তওবা করার নিয়ম – তওবা এর দোয়া

অনেকে আবার পাপকে ছোট ভাবে। তুচ্ছ মনে করে। পাপের ব্যাপারে বেপরোয়া। তওবা এর দোয়া নিয়ে ইবনে মাসউদ রা: বলেন, মুমিন পাপকে মনে করে এমন এক পাহাড়, যার পাদদেশে সে বসে, আর তা নিজের উপর পতিত হওয়ার সে আশঙ্কা বোধ করে। পক্ষান্তরে দুষ্ট প্রকৃতির মানুষেরা পাপকে মনে করে এমন এক মাছি, যা তার নাকে বসেছিল, আর সে হাতের সামান্য ইশারায় তাকে তাড়িয়ে দিয়েছে।

তওবা করার নিয়ম – জ্ঞানসম্পন্ন মুমিনরা পাপ কত ক্ষুদ্র সে দিকে লক্ষ করে না বরং যার বিরুদ্ধাচরণ করা হচ্ছে, সেই সত্তা কত মহান, সে দিকে লক্ষ করে।কোন মানুষ যেহেতু পাপমুক্ত নয়, তাই আল্লাহ তাঁর বান্দাদের জন্য তওবা এর দরজা খুলে দিয়েছেন এবং উহার নির্দেশও দিয়েছেন। তিনি তার বান্দাদের ডাক দিয়ে বলেন, বলুন, হে আমার বান্দাগণ, যারা নিজেদের উপর যুলুম করেছ তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না।

“নিশ্চই আল্লাহ সমস্ত গোনাহ মাফ করেন। তিনি ক্ষমাশীল পরম দয়ালু।”

DOWNLOAD NOW


ভিডিউ টিউটোরিয়াল পেতে আমাদের চ্যনেলটি সাবস্ক্রাইব করুন।

Online Academy BD