আহকামে কুরবানী ফাযায়েল ও জরুরী মাসায়েল

রচনায়: মাওলানা মুফতী কামালুদ্দীন

895

"আহকামে

আহকামে কুরবানী ফাযায়েল ও জরুরী মাসায়েল বইটিতে আছে-

  • কুরবানীর ফযীলত
  • কোরবানীর না করার পরিণতি
  • কাদের উপর কোরবানী ওয়াযীব
  • অন্যের পক্ষ হতে কুরবানী
  • মৃত ব্যক্তির পক্ষ হতে কুরবানীর হুকুম
  • কোন কোন পশু দ্বারা কুরবানী করা যায়
  • পশু জবাই সম্পর্কীয় মাছ’আলা
  • কোরবানীর পশু জবাইএর দোয়া
  • হালাল পশুর কোন কোন অঙ্গ খাওয়া হারাম
  • কুরবানীর পশুর চামড়া, হাঁড়, চুল, দুধ ইত্যাদির বিধান

আরও বই পড়ুন- ইসলামে খাওয়ার আদব
  • পশু হারিয়ে গেলে বা মরে গেলে করণীয়
  • ঈদের দিনের করণীয়
  • কাদের উপর ঈদের নামায ওয়াজিব
  • ঈদের নামাযের কিছু মাছায়েল
  • তাকবীরে তাশরীক সম্পর্কীয় মাছআলা
  • তাকবীরে তাশরীক কতবার পড়া ওয়াজিব
  • আক্বীক্বা অধ্যায়
  • আক্বীক্বা কি ও কেন
  • শরীয়তে আকীকার বিধান ও প্রমাণ
  • আহকামে কুরবানী
  • হাদীস শরীফে প্রমাণিত
  • বাচ্চার মাথায় রক্ত নয় জাফরান মাখবে
  • বাচ্চার চুলের ওজন পরিমান রুপা ছদকা করা
  • আক্বীকা কয় বকরী দিয়ে করবে
  • ছেলের ক্ষেত্রে দ’টি কেন
  • আক্বীক্বার মাসায়েল
  • আক্বীকা চামড়ার বিধান
  • আক্বীকার জন্তু জবাই করার দোয়া
  • আক্কীক্বা উপলক্ষে প্রদানকৃত উপহারের মালিক কে
  • নাবালিগের সম্পদের বিধান

এই সকল বিষয় নিয়ে বইটি লেখা হয়েছে। নিম্নে বইটির কিছু অংশ তুলে ধরা হলো।

আহকামে কুরবানী

কুরবানীর ফযীলতঃ

ফাযায়েল ও জরুরী মাসায়েল- কুরবানী কোন নতুন কিছু সয়। কুরবানীর প্রথা হযরত আদম আ. এর পুত্র হাবীল ও কাবীল হতে আরম্ভ হয়ে এ পর্যন্ত চলে আসছে। তবে তখনকার কুরবানী ছিল ভিন্ন রুপ, যে কোন বস্তু দিয়ে কুরবানী করা যেত, আজ আমাদের নিকট যেই কুরবানীর প্রথা চালু আছে সেটা হচ্ছে মুসলমান জাতির পিতা হযরত ইব্রাহীম আ. এর সেই আসমান যমীন সাড়া জাগানো আল্লাহর হুকুমে স্বীয় প্রত্র ঈসমাইল আ. কে নিজ হাতে কুরবানী করার নমুনা ও ইতিহাস।

তাই আজও যারা পূর্ণ ঈমান ও আল্লাহর ভালবাসায় একটি নিঁখুত পশু কুরবানী করবে, তাঁরাও ইব্রাহীম আ. এর মত কলিজার টুকরা টকবগে এক বালক সন্তানকে আল্লাহর রাহে উৎসর্গ করার ছাওয়াব পাবে। এছাড়া হাদীস শরীফে কুরবানীর ফযীলত সম্পর্কে বহু বর্ণনা এসেছে।

আহকামে কুরবানী

যেমন ফাযায়েল ও জরুরী মাসায়েল নিয়ে হযরত যায়েদ ইবনে আরকাম থেকে বর্ণিত আছে তিনি বলেন, একদা সাহাবায়ে কিরাম হুযূর পাক সা. কে কুরবানীর প্রতিদান সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন-কুরবানীর প্রতিদান হচ্ছে কুরবানীর পশুর গায়ের প্রতিটি চুলের বিনিময়ে একটি করে নেকী দেয়া হবে। অতপর সাহাবাগণ বললেন, হে আল্লাহর রাসূল সা. ভেড়ার প্রতিদানও কি অনুরুপ? উত্তরে রাসূলে করীম সা. ইরশাদ করেন হ্যাঁ, ভেড়ারও প্রতিটি চুলের বিনিময় একটি করে নেকী দেয়া হবে। (সুবহানাল্লাহ) মিশকাত শরীফ-১২৯)

আম্মাজান হযরত আয়েশা রা. হতে ফাযায়ল ও জরুরী মাসায়েল নিয়ে বর্ণিত আছে, রাসূল পাক সা. ইরশাদ করেন, কুরবানীর দিন কুরবানীর চেয়ে বনী আদমের আর কোন আমল আল্লাহর নিকট বেশী প্রিয় নয়। আর কিয়ামতের দিন কুবানীকৃত পশু আল্লাহর হুকুমে তার শিং, চুল ও পায়ের খুর সহ উপস্থিত হবে। আর কুরবানীর পশুর রক্ত মাটিতে পড়ার পূর্বেই আল্লাহর দরবারে পৌঁছে যাবে। (তিরমিজী মিশকাত শরীফ-১২৮)

আহকামে কুরবানী

DOWNLOAD NOW


ভিডিউ টিউটোরিয়াল পেতে আমাদের চ্যনেলটি সাবস্ক্রাইব করুন।

Online Academy BD